Breaking News

জনসচেতনতার মাধ্যমেই এ্যাজমা ও হাঁপানীমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব

Pic of Lung Foundation-20.11.15ফুসফুসের স্বাস্থ্য বিষয়ক ৪র্থ আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বক্তারা বলেছেন, নিজস্ব উদ্যোগেই এ্যাজমা ও হাঁপানী নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন শুধুমাত্র সচেতনতা। অর্থাৎ জনসচেতনতার মাধ্যমেই এ্যাজমা ও হাঁপানীমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব।
শুক্রবার বিকেলে নগরীর ইকবাল নগর মসজিদ লেনস্থ পূর্বাঞ্চল ডায়ালগ সেন্টারে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। গ্লাক্সো স্মিথক্লাইন ও ক্লাব এক্সেলের অর্থায়নে বাংলাদেশ লাং ফাউন্ডেশন এ সম্মেলনের আয়োজন করে।
এতে রিসোর্স পার্সন ছিলেন, অষ্ট্রিয়ার অট্টো স্প্রাংগার ও জার্মানীর ডাঃ এ্যান্টজি ফিংকওয়েগনার। সম্মেলনে ফ্যাসিলিটেটরের দায়িত্ব পালন করেন, এ্যাজমা, হাঁপানী ও শিশু বিশেষজ্ঞ ডাঃ জিএম মনসুর হাবীব।
অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন, দৈনিক পূর্বাঞ্চলের স্টাফ রিপোর্টার এইচ এম আলাউদ্দিন, জিএসকে’র মঞ্জুর মোর্শেদ, শেখ মাসুম হাবিব, জান্নাতুল ফেরদৌস প্রমুখ।
সম্মেলনে বক্তারা আরও বলেন, এ্যাজমা ও হাঁপানীর চিকিৎসার নামে এক শ্রেণীর চিকিৎসক রোগীদের নিয়ে বাণিজ্য করে থাকেন। ২৪ ঘন্টায় এ্যাজমা-হাঁপানী নিরাময়সহ যেসব চটকদার বিজ্ঞাপন দিয়ে রোগীদের আকৃষ্ট করা হয় সে চিকিৎসা রোগীদের জন্য বুমেরাং হতে পারে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন। কারন এ্যাজমা ও হাঁপানীর জন্য দীর্ঘমেয়াদী চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে। চিকিৎসার পাশাপাশি কিছু নিয়ম-কানুনই এ্যাজমা-হাঁপানী থেকে দূরে রাখতে পারে বলেও বক্তারা উল্লেখ করেন।
সম্মেলনে খুলনাঞ্চলের বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার অন্তত: ২৫ জন এ্যাজমা রোগী অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *