এই জনস্বার্থ মামলা বেশ কিছুটা চাপে ফেলেছে ছবির প্রযোজক-পরিচালক সঞ্জয়লীলা বনশালী। এই ছবিতে বাজিরাওয়ের ভূমিকায় রয়েছেন রণবীর সিংহ এবং মস্তানির চরিত্রে অভিনয় করছেন দীপিকা পাডুকোন।
সঞ্জয়লীলা বনশালী প্রযোজিত-পরিচালিত ‘বাজিরাও মস্তানি’ ছবিটির প্রচারে এবং গানগুলিতে যা দেখানো হচ্ছে, যেভাবে বাজিরাও এবং মস্তানিকে দেখানো হয়েছে, তাতে তাঁদের বংশের সম্মানহানি হয়েছে, এমনটাই দাবি ওই চার আবেদনকারীর একজন আওয়াইস বাহাদুরের। আওয়াইস আরও জানান, বনশালির ছবিটিতে ঐতিহাসিক সত্যকে গুরুত্ব না দিয়ে শুধুমাত্র মুনাফার কথা মাথায় রেখে বিনোদনকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইতিহাস কী বলছে? প্রায় তিনশো বছর আগে, ১৭২০ থেকে ১৭৪০ খ্রীষ্টাব্দ পর্যন্ত (আমৃত্যু), মারাঠার চতুর্থ ছত্রপতি সাহুজি রাজে ভোসলের সেনাপতি ছিলেন বাজিরাও। তাঁর জীবনের ৪১টি যুদ্ধে কখনও তাঁকে পরাজিত করা যায়নি। ১৭৪০-এ অসুস্থ হয়ে মাত্র ৩৯ বছর বয়সে হঠাত্ তাঁর মৃত্যু হয়। এই দোর্দণ্ডপ্রতাপ মারাঠা সেনাপতি বাজিরাওকে নিয়েই আগামী ১৮ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ‘বাজিরাও মস্তানি’। আর তার আগেই ছবিটির মুক্তিতে স্থগিতাদেশ এই জনস্বার্থ মামলা। যদিও সঞ্জয়লীলা বনশালী, রণবীর-দীপিকা-সহ অনেকেই এখন মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের রায়ের অপেক্ষায় রয়েছে। কিন্তু তা সত্বেও ছবির ব্যবসা কিছুটা হলেও মার খাওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। বা উল্টোটাও হতে পারে!
(1)