Breaking News

বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সহযোগিতা দিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র : বার্নিকাট

Xe853qN78155596_images (1)বাংলাদেশের বিমানবন্দরগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করার পরামর্শ দিয়েছেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্শা স্টিফেনস ব্লুম বার্নিকাট। এ জন্য বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সহযোগিতা দিতে আগ্রহী যুক্তরাষ্ট্র।

এছাড়া আগামী ২৩ নভেম্বর বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা ফোরাম চুক্তির (টিকফা) দ্বিতীয় বৈঠকে হযরত শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ‘ক্যাটাগরি ওয়ান’ স্বীকৃতি দেওয়ার বিষয়টি উত্থাপন করা হবে বলেও জানান বর্নিকাট।

মঙ্গলবার দুপুরে সচিবালয়ে বেসমরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেননের সঙ্গে বিমান পরিবহন নিরাপত্তা জোরদার বিষয়ক বৈঠক শেষে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সহযোগিতা দিতে আগ্রহী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এ বিষয়ে অন্য দেশকেও আমরা সহযোগিতা করছি। আমরা সারাবিশ্বের যেকোন স্থানেই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে সক্রিয়। আমরা চাই, প্রত্যেকে নিরাপদে থাকুক।

ওয়াশিংটনে হামলার হুমকি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শুধু প্যারিস নয়, বিশ্বব্যাপী কোথাও হামলা হোক এবং জনগণ কষ্ট পাক এটা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র চায় না।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার বিদেশী নাগরিকদের সার্বিক নিরাপত্তা জোরদার করতে যথাযথ পদক্ষেপ নিয়েছে। এর জন্য বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানাচ্ছি। স্থিতিশীল পরিবেশ উন্নত ভবিষ্যৎ এবং উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির দিকে বাংলাদেশের যাত্রায় যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

বৈঠক শেষে বেসমরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন সাংবাদিকদের বলেন, মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে বাংলাদেশের হযরত শাহ্‌জালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে ‘ক্যাটাগরি ওয়ান’ স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব জানিয়েছি। টিকফা বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হবে। এ জন্য প্রয়োজনীয় আইন-কানুন, জনবল কাঠামোসহ অন্যান্য শর্তগুলো পূরণের কাজ চলছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, দেশের বিমানবন্দরগুলোতে পর্যাপ্ত ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দেশের জনগণ ও বিদেশী নাগরিকদের শান্তি এবং নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করেই এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা জোরদার রাখতে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একযোগে কাজ করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের রেড এলার্টের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০১৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়ে যুক্তরাষ্ট্র রেড এলার্ট জারি করেনি। এখন ঘনঘন তা জারি করছে। এ বিষয়টি বাংলাদেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর বলেও মার্কিন রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *